সিজারের পর ইনফেকশন হলে করণীয় কি আমরা কম-বেশি এই বিষয় জানতে চাই। কারণ বাংলাদেশে আমাদের যে পরিমাণ সিজারের মাধ্যমে সন্তান জন্ম নিচ্ছে যেটা বিশ্বের অন্য সব দেশের তুলনায় অধিক বেশি।
আর এই সিজারের সাথে সাথে নারীদের ইনফেকশনের ঝুঁকি অনেক বাড়ছে। তাই আজকে সিজারের পর ইনফেকশন হলে করনীয় কি এবং কেন হয় আরো বিভিন্ন বিষয় আজকে আলোচনা করব।
সিজারের পর ইনফেকশন হলে করণীয়।
সিজারের পর কি কি খাবার খাওয়া উচিত।
১ ভিটামিন সি যুক্ত খাবার। যেমন-কমলা, মাল্টা, লেবু, বাতাবি লেবু, কারণ এইসব টক জাতীয় খাবারের প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থেকে থাকে। খুবই দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে।
কিন্তু আমাদের অনেকের ধারণা এইটা যে এই ধরনের টক জাতীয় খাবার খেলে হয়তো সেলাইয়ের স্থান ফুলে যাবে বা ঘা হবে। কিন্তু আমাদের এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কারণ স্বাস্থ্যসংস্থান থেকেই বলা হয়েছে যে ভিটামিন সি যেকোনোই ঘা জাতীয় ও অপারেশন রোগীর ক্ষত শর্তে দ্রুত চেষ্টা করে
তাই একজন সিজারিয়ান মায়ের অবশ্যই উচিত প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়া।
২ সিজারিয়ান মায়ের ভাতের থেকে সবজি বেশি খাওয়া। কারণ সিজার অপারেশনের পরও রোগীর হাত-পা ফোলা সম্ভাবনা থেকে থাকে। তখন যদি রোগী প্রচুর পরিমাণে ভাত খেয়ে থাকে, তাহলে ওই ভাতের যে প্রোটিন আছে সেই প্রোটিন টা মায়ের জন্য তখন বেশিটা উপকারী না।
তখন যদি রোগী প্রচুর পরিমাণ ভাত খেয়ে থাকে তাহলে তার হাত পা পানি জমতে পারে ও ফুলে যেতে পারে। এর জন্য অবশ্যই রোগী রুচি ভাত বেশি পরিমাণে না খাওয়া সবুজ শাকসবজি বেশি করে খাওয়া।
৩ রোগের অবশ্যই সিজারের এক মাসের মধ্যে এলার্জিজনিত খাবার খাবে না। কারণ রোগীর যদি এলার্জি থেকে থাকে। অনেক সময় এমনও হয় যে একজন রোগী এলার্জিজনিত রোগে আক্রান্ত কিন্তু রোগী নিজেই জানে না।
এর জন্য প্রত্যেক সিজারিয়ান রোগীর অবশ্যই উচিত এলার্জিক যুক্ত খাবার থেকে এড়িয়ে চলা। এলার্জিযুক্ত খাবারগুলো হল যেমন-
যেসব খাবারে এলার্জি থেকে থাকে সেসব খাবার গুলো হলো। বেগুন, ঢেঁড়স, মসুর ডাল, পুঁইশাক, কচু, চিংড়ি , গরুর মাংস, হাঁসের মাংস, হাঁসের ডিম সহ আরো বিভিন্ন এলার্জিজনিত খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে।
৪ সিজারের পর রোগী যে মাছগুলো বেশি খাবে সেগুলো হলো। শোল মাছ, মাগুর মাছ, শিং মাছ, টাকি মাছ, ও গুঁড়া মাছ। কারণ এইসব মাছে যদি রোগীর হিমোগ্লোবিনের অভাব রক্তশূন্যতা যদি থেকে থাকে তাহলে এই মাছ পূরণ করতে চেষ্টা করে।
৫ একজন সিজার রোগীর প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। কারণ পানি পান করার মাধ্যমে তার শরীরে পানি শূন্যতার ঘাটতি পূরণ হবে।
সিজারের পর করনীয়।
সিজারের পর তলপেটে ব্যথা।
সিজারের পর সহবাসের নিয়ম।
সিজারের পর বেল্ট ব্যবহার।
সিজারের পর পেটের দাগ কমানোর উপায়।
সিজারের পর ডায়েট।